সর্বাধিক রেটিং প্রাপ্ত

ধর্মের সীমাবদ্ধতা

লিখেছেনঃ দাউকুটুম্ব

বিভাগঃ সাধারণ

সময়ঃ ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০১৬ (বৃহস্পতিবার) রাত ০২:৩৯

পঠিত ৯১০ লাইক ৩ প্রিয় ১
রিপোর্ট করুন
রেটিং করুন
আপনি কি এটা ডিলিট করতে আগ্রহী ?
ব্লগটি এডিট করুন
Close
মন্তব্য: ১৪ টি

২৫ ফেব্রুয়ারি ’১৬ রাত ০২:৫৩

মাহফুজুর রহমান:  

valo laglo,tobe dhormer sathe onek kichui ar sathe jorito

রিপোর্ট করুন

২৫ ফেব্রুয়ারি ’১৬ বিকাল ০৩:১১

সুকান্ত:  

কোন কথা নাই। সোজা প্রিয়তে রেখে দিলাম! LOL

রিপোর্ট করুন

২৫ ফেব্রুয়ারি ’১৬ বিকাল ০৪:১২

চে'র সাইকেল:  

sokol kusongskar dur hoeaaa jak,manobota mukti pak

রিপোর্ট করুন

২৫ ফেব্রুয়ারি ’১৬ বিকাল ০৫:১২

মুক্তি পাগল:  

দাদা, এই সাব্জেক্ট বাদ দিয়ে অন্য কিছু লেখেন। মানুষের মধ্যে যেটা নিয়া এলার্জি আছে সেটা স্কিপ করাই তো ভালো। গণতান্ত্রিক দেশ তো!

রিপোর্ট করুন

২৫ ফেব্রুয়ারি ’১৬ বিকাল ০৫:২৫

পাগলা বাবা:  

এইখানে দুইটা পয়েন্টের সাথে কিছুটা একমত। কিন্তু বাকীগুলো ধর্মের ওপর চাপিয়ে দেয়া দোষ। গতকাল ভালোবাসার মতবাদ শিরোনামে একটা ব্লগ দিয়েছি। সেখানে মহামানবদের ব্যাপারে বলেছি যে, তারা অপকর্মে ব্যবহৃত হন। তাই দোষটা তাদের নয়। বরং যারা অপরাধ করে তাদের। ধর্মের ক্ষেত্রে একই কথা। ধর্মগুলো সবই সমাজের শান্তির জন্য এসেছে। সে সময় শান্তি স্থাপন করে তার শক্তিমত্তা দেখিয়ে দিয়েছে। সূতরাং অপরাধীদের কাজকর্ম ধর্মের ওপর চাপিয়ে দেয়ার কোন যুক্তি নাই। যারা ধর্মকে অপব্যাখ্যা করে অধর্মের কাজ করে আর যারা সেগুলো দেখিয়ে ধর্মের মূলবাণীর অপব্যাখ্যা করে তারা তো একই রকম হয়ে গেল।


যেমন- মা, নারী, মেধা, প্রগতি, ঐক্য এই পয়েন্ট গুলোর ক্ষেত্রে বলা যায়। এই বিষয়গুলো কখনই ধর্মের সীমাবদ্ধতা নয়। কারন ধর্ম যেভাবে বলে সেভাবে সমাজে এইসব প্রচলিত হয়নি। অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে। মসজিদে ইহুদি আর খ্রিস্টানরা ইবাদতের অনুমতি পেত। নারীর সম্মান সেসময় ধর্মই দিয়েছে। অধর্ম অনুসারে নারীরা মানুষ বলে গণ্য হতনা। প্রগতির জন্য ধর্ম বাঁধা দেয়নি। বরং প্রগতির সমস্যা গুলো রোধ করেছে। মেধার ক্ষেত্রে এটা মেধাবীদের ব্যার্থতা বলতে হবে। মেধাবীরা শুধু না জেনে সমালোচনা না করলে ধর্ম দিয়েই সঠিক সমাজ গড়া যেত।


প্রতিটা মতবাদই সম্মানিত। মতবাদ সৃষ্টি হয় মানুষের প্রয়োজনে। বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে না। ধন্যবাদ।

রিপোর্ট করুন
ছবি আপলোড করুন
ছবি আপলোড করুন